দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকায় জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট। জেলায় স্থায়ী ১৭টিসহ প্রায় শতাধিক পশুর হাট বসেছে। এসব হাটে দেশীয় গরুর পাশাপাশি মহিষ, ছাগলসহ পর্যাপ্তসংখ্যক কোরবানির পশু উঠেছে।
জেলা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারি ও পাইকাররা পশু নিয়ে আসছেন হাটগুলোতে। তবে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে এখনো ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তাদের আশা, ঈদের আগের শেষ কয়েক দিনে বেচাকেনা বাড়বে।
হাটে গরু বিক্রি করতে আসা নাসির মিয়া বলেন, আমি শতাধিক গরু নিয়ে হাটে এসেছি। এ পর্যন্ত প্রায় ৩০টি বিক্রি হয়েছে। তবে বড় সাইজের গরু বিক্রি কম হচ্ছে। সীমান্ত এলাকা হওয়ায় অবৈধ গরু প্রচুর প্রবেশ করছে। প্রশাসন যদি অবৈধ গরু আসা বন্ধ না করে তাহলে সবার লোকসান গুনতে হবে।
আরেক বিক্রেতা সাব্বির মিয়া বলেন, ৩০টির মতো বড় গরু এনেছি। ক্রেতারা দরদাম করছেন। আশা করি দুই-তিন দিনের মধ্যে সব বিক্রি হয়ে যাবে।
ক্রেতাদের ভাষ্য, এবার কোরবানির পশুর দাম মোটামুটি সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে। তবে ছোট ও মাঝারি আকারের পশুর দাম তুলনামূলক বেশি।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুল ইসলাম জানান, এ বছর জেলায় প্রায় ১৫ হাজার খামারে ১ লাখ ৩২ হাজার পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। জেলার চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৬৯ হাজার পশু হলেও আশপাশের জেলা থেকে পশু আসায় সেই ঘাটতি পূরণ হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রতিটি পশুর হাটে প্রাণিসম্পদ বিভাগের ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করছে।
জেলা পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ বলেন, কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি হাটে পুলিশের মনিটরিং টিম দায়িত্ব পালন করছে।
জে আই